গর্ভাবস্থায় ডান পাশে ঘুমালে কি হয়

350.00৳ 

ফোন করুন: 01751358526

> প্রত্যেকটি  চেক করা এবং কোয়ালিটি সম্পন্ন ।
>>  আমরা সবচেয়ে কম দামে দিতে পারি
>> সারাদেশে হোম ডেলিভারির মাধ্যমে পৌঁছে দেয়া হয়ে থাকে ।

>> ক্যাশ অন ডেলিভারি খরচ ঢাকার মধ্যে ৬০ ঢাকার বাইরে ১০০ টাকা ! (পরিবর্তনীয়)

785 in stock

Description

গর্ভাবস্থায় ডান পাশে ঘুমালে কি হয় চলুন জেনে নেয়া যাক গর্ভাবস্থায় কোন পাশে ঘুমালে ভালো হয় কিংবা গর্ভাবস্থায় ডানপাশে ঘুমালে আপনার শরীরের কি কি ধরনের পরিবর্তন বা উপকারিতা বা অপকারিতাগুলো হতে পারে ।

গর্ভাবস্থায় ডান পাশে ঘুমালে কি হয়

গর্ভধারণের পর মায়েদের যে জিনিসটা লক্ষ করা যায় সেটা হলো ঘুমের ব্যাঘাত হওয়া। এর পিছনে কারন হলো পেট ভারি হয়ে আসা এবং ধীরে ধীরে তা বড় হতে থাকে ফলে মায়েদের ঘুমাতে সমস্যা হয়। অস্তিরতা লাগে, দমবন্ধ হয়ে আসে এবং ঘুম ভেঙে যায়। আরো পড়ুন: ছেলেদের পে-নি  লম্বা করার ঔষধ ৭৫০ টাকা কিনতে ক্লিক করুন  – এখনই ঔষধ কিনুন

এসময় ঘুমানোর কিছু কৌশল আছে চলুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক কিভাবে শুলে আরামে ঘুমানো যায় এবং বাচ্চার কোনো রকম ক্ষতি হয় না।

★ চিৎ হয়ে ঘুমানো এসময় একদম ঠিক নয় কারন, গর্ভাবস্থায় ১৫-২০ সপ্তাহের মধ্যে জরায়ু বেশ বৃদ্ধি ঘটে থাকে। এসময় যদি চিৎ হয়ে ঘুমায় তাহলে বৃদ্ধি প্রাপ্ত জরায়ুর চাপে ইনফেরিও ভেনাকা সংকুচিত হয়ে যেতে পারে। এই শিরা শরীরের মধ্যে ভাগ ও নিম্ন ভাগ থেকে রক্ত হৃদপিণ্ডে প্রবাহ করে থাকে। এতে করে রক্ত সঞ্চালন ব্যাহত হয়ে পরে। ফলে মায়ের হৃদপিণ্ড রক্ত ঘারতি দেখা দেয়। হার্টবিট বেরে যায় দম বন্ধ হয়ে আসে এবং বাচ্চার পুষ্টিঘারতি দেখা দেয়। চিৎ হয়ে শোয়ার ফলে মেরুদন্ডের হাড় ও কোমরে অনেক বেশি চাপ পরে ফলে ব্যাক পেই হয়।

★ উপুর হয়ে শোয়া এসময় একদম ঠিক নয়। প্রথম দিকে যেমন ইচ্ছে ঘুমানো যায় তবে না ঘুমানোই উত্তম। তবে ১২ সপ্তাহে পর থেকে আর উপুর হয়ে ঘৃমানো ঠিক নয় ১৬-১৮ সপ্তাহের মধ্যে পেট অনেকটা বড় হয়ে যায় ফলে উপুর হয়ে ঘুমালে পেটের উপর অনেক বেশি চাপ পরে। যদি একান্তই উপুর হয়ে ঘুমাতে ইচ্ছে হয় তাহলে ডোনাট আকৃতির বালিশে ঘুমাতে। ডোনাট আকৃতির বালিশের মাঝখানের ফাঁকা অংশে পেট এমন ভাবে রাখতে হবে।যাতে পেটের উপর কোনো রকম প্রভাব না পরে।গর্ভাবস্থায় ডান পাশে ঘুমালে কি হয়

★ বাম কাৎ হয়ে ঘুমানো সবচেয়ে ভালো ও সঠিক পদ্ধতি। যারা এক কাৎ হয়ে বেশিক্ষণ থাকতে পারেন ন।তাদেরকে ৫ সপ্তাহের পর থেকে চিকিৎকরা অন্তত কয়েক ঘন্টা বাম কাৎ হয়ে শুয়ে থাকার পরামর্শ দেন। বাম কাৎ হয়ে ঘুমালে প্লাসেন্টা দিয়ে খুব সহজে রক্ত ও পুষ্টি বাচ্চার কাছে পৌঁছাতে পারে। বাম কাৎ হয়ে ঘুমানোর ফলে মায়ের কিডনি ভালো থাকে, এসিডিটি কম হয়, অতিরিক্ত ফ্লুয়িড ও বর্জ্য নির্গত করতে সাহায্য করে থাকে। বাম কাৎ হয়ে ঘুমানোর ফলে নিশ্বাস স্বাভাবিক থাকে। ঘুমানো সহজ হয়। চিৎ বা উপুর হয়ে ঘুমানোর চেয়ে কাৎ হয়ে ঘুমানো ভালো তবে বাম কাৎ হয়ে ঘুমানো উত্তম।

তুলে ধরেছি ইতিমধ্যে আমরা তথ্যগুলো তাই আর্টিকেলের উপর থেকে আপনি এ বিষয়ে তথ্যগুলো জেনে নিতে পারেন এবং অনলাইনে কেনাকাটা করতে চাইলে আমাদের থেকে এলাকাটা করতে পারেন ।

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “গর্ভাবস্থায় ডান পাশে ঘুমালে কি হয়”

Your email address will not be published. Required fields are marked *